চট্টগ্রামের একটা পাহাড়ি এলাকায় একটা পুরোনো বাড়ি ছিল, যেটা একসময় ব্রিটিশ আমলের এক অফিসারের ছিল। বাড়িটা অনেক বছর ধরে খালি পড়ে ছিল, কারণ স্থানীয়রা বলত, ওখানে অদ্ভুত কিছু ঘটে। ২০০০ সালের দিকে একটা পরিবার, আলম পরিবার, সস্তায় বাড়িটা কিনে সেখানে উঠে আসে।প্রথম কয়েকদিন সব ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু এক রাতে আলমের ছোট মেয়ে রিমা, বয়স ১০, বলল যে তার ঘরের জানালায় একটা লোক দাঁড়িয়ে থাকে। লোকটার মুখ ফ্যাকাশে, চোখ টকটকে লাল, আর সে কোনো শব্দ করে না, শুধু তাকিয়ে থাকে। আলম সাহেব ভাবলেন, এটা বাচ্চার কল্পনা। কিন্তু পরের রাতে তিনি নিজে একটা অদ্ভুত ঘটনার মুখোমুখি হলেন।রাত তখন প্রায় ১টা। আলম সাহেব বাড়ির পেছনের বারান্দায় গিয়ে দেখলেন, একটা কালো ছায়া পাহাড়ের দিকে হেঁটে যাচ্ছে। তিনি ভাবলেন, হয়তো কোনো চোর। তিনি টর্চ নিয়ে পেছন পেছন গেলেন, কিন্তু ছায়াটা হঠাৎ মিলিয়ে গেল। ফিরে এসে তিনি দেখলেন, বাড়ির সব দরজা-জানালা খোলা, যদিও তিনি নিজে সব বন্ধ করে গিয়েছিলেন। তখনই তিনি শুনলেন, বাড়ির ভেতর থেকে কেউ যেন ফিসফিস করে বলছে, “এটা আমার জায়গা... তুমি চলে যা...”এরপর থেকে বাড়িতে অদ্ভুত ঘটনা বাড়তে লাগল। রাতে সিঁড়িতে পায়ের শব্দ, আসবাবপত্র নিজে নিজে সরে যাওয়া, আর রিমার দাবি যে সেই লোকটা এখন তার ঘরের ভেতরে দাঁড়ায়। আলম সাহেব একজন হুজুর ডেকে আনলেন। হুজুর বাড়িতে এসে বললেন, এই বাড়িতে একটা অশান্ত আত্মা আছে, যে এখান থেকে কাউকে থাকতে দিতে চায় না। তিনি কিছু তাবিজ আর দোয়া দিলেন, কিন্তু তারপরও রাতে ফিসফিস আর পায়ের শব্দ থামল না।অবশেষে আলম পরিবার বাড়ি ছেড়ে চলে গেল। স্থানীয়দের দাবি, বাড়িটা এখনো খালি আছে, আর পাহাড়ের কাছে রাতে গেলে কেউ কেউ সেই ফিসফিস শুনতে পায়। কেউ কেউ বলে, সেই ব্রিটিশ অফিসারের আত্মা এখনো তার বাড়ি পাহারা দেয়।
চট্টগ্রামের একটা পাহাড়ি এলাকায় একটা পুরোনো বাড়ি ছিল, যেটা একসময় ব্রিটিশ আমলের এক অফিসারের ছিল। বাড়িটা অনেক বছর ধরে খালি পড়ে ছিল, কারণ স্থানীয়রা বলত, ওখানে অদ্ভুত কিছু ঘটে। ২০০০ সালের দিকে একটা পরিবার, আলম পরিবার, সস্তায় বাড়িটা কিনে সেখানে উঠে আসে।প্রথম কয়েকদিন সব ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু এক রাতে আলমের ছোট মেয়ে রিমা, বয়স ১০, বলল যে তার ঘরের জানালায় একটা লোক দাঁড়িয়ে থাকে। লোকটার মুখ ফ্যাকাশে, চোখ টকটকে লাল, আর সে কোনো শব্দ করে না, শুধু তাকিয়ে থাকে। আলম সাহেব ভাবলেন, এটা বাচ্চার কল্পনা। কিন্তু পরের রাতে তিনি নিজে একটা অদ্ভুত ঘটনার মুখোমুখি হলেন।রাত তখন প্রায় ১টা। আলম সাহেব বাড়ির পেছনের বারান্দায় গিয়ে দেখলেন, একটা কালো ছায়া পাহাড়ের দিকে হেঁটে যাচ্ছে। তিনি ভাবলেন, হয়তো কোনো চোর। তিনি টর্চ নিয়ে পেছন পেছন গেলেন, কিন্তু ছায়াটা হঠাৎ মিলিয়ে গেল। ফিরে এসে তিনি দেখলেন, বাড়ির সব দরজা-জানালা খোলা, যদিও তিনি নিজে সব বন্ধ করে গিয়েছিলেন। তখনই তিনি শুনলেন, বাড়ির ভেতর থেকে কেউ যেন ফিসফিস করে বলছে, “এটা আমার জায়গা... তুমি চলে যা...”এরপর থেকে বাড়িতে অদ্ভুত ঘটনা বাড়তে লাগল। রাতে সিঁড়িতে পায়ের শব্দ, আসবাবপত্র নিজে নিজে সরে যাওয়া, আর রিমার দাবি যে সেই লোকটা এখন তার ঘরের ভেতরে দাঁড়ায়। আলম সাহেব একজন হুজুর ডেকে আনলেন। হুজুর বাড়িতে এসে বললেন, এই বাড়িতে একটা অশান্ত আত্মা আছে, যে এখান থেকে কাউকে থাকতে দিতে চায় না। তিনি কিছু তাবিজ আর দোয়া দিলেন, কিন্তু তারপরও রাতে ফিসফিস আর পায়ের শব্দ থামল না।অবশেষে আলম পরিবার বাড়ি ছেড়ে চলে গেল। স্থানীয়দের দাবি, বাড়িটা এখনো খালি আছে, আর পাহাড়ের কাছে রাতে গেলে কেউ কেউ সেই ফিসফিস শুনতে পায়। কেউ কেউ বলে, সেই ব্রিটিশ অফিসারের আত্মা এখনো তার বাড়ি পাহারা দেয়।