একটা পুরোনো বাড়িতে সুমি নামের এক মেয়ে তার পরিবারের সঙ্গে নতুন করে উঠে এসেছিল। বাড়িটা অনেক পুরোনো, দেওয়ালে ফাটল, আর কাঠের সিঁড়ি হাঁটলেই ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ। বাড়ির একটা ঘরে ছিল একটা বড় আয়না, যেটা দেখলেই সুমির কেমন যেন অস্বস্তি হতো। আয়নাটার ফ্রেমে অদ্ভুত নকশা ছিল, আর মনে হতো যেন কেউ তাকে দেখছে।এক রাতে, ঝড়বৃষ্টির মধ্যে বিদ্যুৎ চলে গেল। সুমি তার ঘরে মোমবাতি জ্বালিয়ে বসেছিল। হঠাৎ তার মনে হলো, আয়নার দিকে তাকাতে হবে। সে সাহস করে আয়নার সামনে গেল। মোমবাতির আলোয় সে দেখল, তার প্রতিবিম্বের পেছনে আরেকটা মুখ! একটা ফ্যাকাশে মেয়ে, চোখ দুটো শূন্য, আর মুখে একটা ভয়ানক হাসি। সুমি চিৎকার করে পিছিয়ে গেল, কিন্তু আয়নার মেয়েটি হাসতে লাগল।পরদিন সকালে সুমি তার বাবা-মাকে বলল, কিন্তু তারা ভাবল এটা তার কল্পনা। কিন্তু রাত হলেই আয়নার সামনে অদ্ভুত শব্দ হতো—যেন কেউ নখ দিয়ে আঁচড়াচ্ছে। এক রাতে সুমি সাহস করে আয়নাটা ঢেকে দিল কাপড় দিয়ে। কিন্তু মাঝরাতে সে শুনল, কেউ তার নাম ধরে ফিসফিস করছে, “সুমি... আমাকে দেখো...”। কাপড়টা নিজে থেকে খসে পড়ল, আর আয়নায় সেই মেয়েটি দাঁড়িয়ে ছিল—এবার সুমির ঘরের মধ্যে!সুমি দৌড়ে বাইরে চলে গেল, কিন্তু পেছনে তাকাতেই দেখল, মেয়েটি তার পেছনেই হাঁটছে, মুখে সেই ভয়ানক হাসি। পরদিন সকালে সুমির পরিবার তাকে ঘরে খুঁজে পেল না। শুধু আয়নাটা ছিল, আর তার মধ্যে সুমির প্রতিবিম্ব—কিন্তু সে হাসছিল, ঠিক সেই মেয়েটির মতো। বাড়ির লোক বলে, আয়নাটা এখনো সেখানে আছে, আর যারা তাতে তাকায়, তারা সুমির ফিসফিস শুনতে পায়।
একটা পুরোনো বাড়িতে সুমি নামের এক মেয়ে তার পরিবারের সঙ্গে নতুন করে উঠে এসেছিল। বাড়িটা অনেক পুরোনো, দেওয়ালে ফাটল, আর কাঠের সিঁড়ি হাঁটলেই ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ। বাড়ির একটা ঘরে ছিল একটা বড় আয়না, যেটা দেখলেই সুমির কেমন যেন অস্বস্তি হতো। আয়নাটার ফ্রেমে অদ্ভুত নকশা ছিল, আর মনে হতো যেন কেউ তাকে দেখছে।এক রাতে, ঝড়বৃষ্টির মধ্যে বিদ্যুৎ চলে গেল। সুমি তার ঘরে মোমবাতি জ্বালিয়ে বসেছিল। হঠাৎ তার মনে হলো, আয়নার দিকে তাকাতে হবে। সে সাহস করে আয়নার সামনে গেল। মোমবাতির আলোয় সে দেখল, তার প্রতিবিম্বের পেছনে আরেকটা মুখ! একটা ফ্যাকাশে মেয়ে, চোখ দুটো শূন্য, আর মুখে একটা ভয়ানক হাসি। সুমি চিৎকার করে পিছিয়ে গেল, কিন্তু আয়নার মেয়েটি হাসতে লাগল।পরদিন সকালে সুমি তার বাবা-মাকে বলল, কিন্তু তারা ভাবল এটা তার কল্পনা। কিন্তু রাত হলেই আয়নার সামনে অদ্ভুত শব্দ হতো—যেন কেউ নখ দিয়ে আঁচড়াচ্ছে। এক রাতে সুমি সাহস করে আয়নাটা ঢেকে দিল কাপড় দিয়ে। কিন্তু মাঝরাতে সে শুনল, কেউ তার নাম ধরে ফিসফিস করছে, “সুমি... আমাকে দেখো...”। কাপড়টা নিজে থেকে খসে পড়ল, আর আয়নায় সেই মেয়েটি দাঁড়িয়ে ছিল—এবার সুমির ঘরের মধ্যে!সুমি দৌড়ে বাইরে চলে গেল, কিন্তু পেছনে তাকাতেই দেখল, মেয়েটি তার পেছনেই হাঁটছে, মুখে সেই ভয়ানক হাসি। পরদিন সকালে সুমির পরিবার তাকে ঘরে খুঁজে পেল না। শুধু আয়নাটা ছিল, আর তার মধ্যে সুমির প্রতিবিম্ব—কিন্তু সে হাসছিল, ঠিক সেই মেয়েটির মতো। বাড়ির লোক বলে, আয়নাটা এখনো সেখানে আছে, আর যারা তাতে তাকায়, তারা সুমির ফিসফিস শুনতে পায়।